Home / বাংলা টিপস / বজ্রপাত থেকে বাঁ’চার ১৮ উপায়

বজ্রপাত থেকে বাঁ’চার ১৮ উপায়

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গত কয়েকদিন ধরে বজ্রপাতে মৃ’ত্যু বেড়েই চলেছে। সর্বশেষ গেল বৃহস্পতিবার (২০ মে) দেশের তিন জে’লায় অন্তত ১০ জন প্রা’ণ হারিয়েছেন এই প্রাকৃতিক দু’র্যোগে। এটি থেকে বাঁচতে ১৮টি উপায় বলে দিয়েছে ত্রাণ ও দু’র্যোগ মন্ত্রণালয়।

এক বি’জ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে বলা হয়েছে, বজ্রপাত থেকে নিরাপদ থাকতে নিজে জানুন, অন্যকে জানান।

বজ্রপাত থেকে বাঁ’চার যে ১৮টি উপায়, সেগুলো হলো:

এপ্রিল-জুন মাসে বজ্রবৃষ্টি বেশি হয়; বজ্রপাতের সময়সীমা সাধারণত ৩০-৪৫ মিনিট স্থায়ী হয়। এ সময়টুকু ঘরে অবস্থান করুন।

ঘন কালাে মেঘ দেখা দিলে ঘরের বাহির হবেন না; অ’তি জরুরি প্রয়ােজনে রবারের জুতা পড়ে বাইরে বের হতে পারেন।

বজ্রপাতের সময় খােলা জায়গা, খােলা মাঠ অথবা উঁচু স্থানে থাকবেন না।

বজ্রপাতের সময় ধানক্ষেত বা খােলা মাঠে থাকলে তাড়াতাড়ি পায়ের আঙ্গুলের ওপর ভর দিয়ে এবং কানে আঙ্গুল দিয়ে মা’থা নিচু করে বসে থাকুন।

যত দ্রুত সম্ভব দালান বা কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন। টিনের চালা যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন।

উঁচু গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁটি ও তার বা ধাতব খুটি, মােবাইল টাওয়ার ইত্যাদি থেকে দূরে থাকুন।

কালাে মেঘ দেখা দিলে নদী, পুকুর, ডােবা বা জলা’শয় থেকে দূরে থাকুন।

বজ্রপাতের সময় গাড়ির ভেতর অবস্থান করলে, গাড়ির ধাতব অংশের সঙ্গে শরীরের সংযােগ ঘটাবেন না; সম্ভব হলে গাড়িটি নিয়ে কোনাে কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন।

বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি ও বারান্দায় থাকবেন না। জানালা বন্ধ রাখু’ন এবং ঘরের ভেতরে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম থেকে দূরে থাকুন।

বজ্রপাতের সময় মােবাইল, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, ল্যান্ডফোন, টিভি, ফ্রিজসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন এবং এগুলাে বন্ধ রাখু’ন।

বজ্রপাতের সময় ধাতব হাতলযু’ক্ত ছাতা ব্যবহার করবেন না। জরুরি প্রয়ােজনে প্লাস্টিক বা কাঠের হাতলযু’ক্ত ছাতা ব্যবহার করতে পারবেন।

বজ্রপাতের সময় শি’শুদের খােলা মাঠে খেলাধুলা থেকে বিরত রাখু’ন এবং নিজেরাও বিরত থাকুন।

বজ্রপাতের সময় ছাউনি বিহীন নৌকায় মাছ ধরতে যাবেন না, তবে এ সময় সমুদ্র বা নদীতে থাকলে মাছ ধ’রা বন্ধ রেখে নৌকার ছাউনির নিচে অবস্থান করুন।

বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির ধাতব রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্প’র্শ করবেন না।

প্রতিটি বিল্ডিংয়ে বজ্র নিরােধক দ’ণ্ড স্থাপন নিশ্চিত করুন।

খােলাস্থানে অনেকে একত্রে থাকাকালীন বজ্রপাত শুরু হলে প্রত্যেকে ৫০ থেকে ১০০ ফুট দূরে দূরে সরে যান।

কোনো বাড়িতে যদি পর্যাপ্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা না থাকে তাহলে সবাই এক কক্ষে না থেকে আলাদা আলাদা কক্ষে যান।

বজ্রপাতে কেউ আ’হত হলে বৈদ্যুতিক শকে আ’হতদের মতো করেই চিকিৎসা করতে হবে। প্রয়ােজনে দ্রুত চিকিৎসককে ডাকতে হবে বা হাসপাতা’লে নিতে হবে। বজ্র আ’হত ব্যক্তির শ্বা’স-প্রশ্বা’স ও হৃদস্পন্দন ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

Check Also

বিবাহিত জীবনে আপনি সুখী নন বুঝবেন যেভাবে

দাম্পত্য জীবনে টানাপোড়েন থাকবেই। বিশেষ করে সব দম্পতিদের মধ্যেই একটু-আধটু কলহ, মান-অভিমান থাকেই। তবে হিংসা, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *